বিদ্যুতের অদ্ভুত কান্ড
------------------জসীম উদ্দীন
(সাম্প্রতিক রোজার সময় বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজের প্রতিবাদে আমার এই প্যরোডী কবিতাটি নিবেদন করলাম। আশা করি তাদের কাছে যাবে, আমরাও ভোগান্তি থেকে বাঁচব)
তাং--০৮/০৪/২১
------------------
আমাদের দেশে বিদ্যুত মশায় সবসময় অদ্ভুত সব কান্ড করে,
সে তার ইচ্ছেমত চলে,
কখন সে আসবে আবার কখন সে যাবে, তা তার একান্ত নিজের ইচ্ছা,
মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা যায় ভূলে।
রাতে যখন টেবিলে বসে বউ বাচ্ছা নিয়ে খেতে বসবেন
সে হঠাৎ চম্পট দেবে,
জানিনা সে কোথায় যায়, কি করে,
বিদ্যুতের মাদকাশক্তি আছে কিনা জানতে ইচ্ছে করে !
প্রছন্ড গরম তুমি রাতে ফ্যান চালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছ
দেখবে বিদ্যুৎ মশায় তার দায়িত্ব ছেড়ে চলে গেছে,
জানিনা তার গাঁজা নাকি ভাং, কিসের অভ্যাস আছে।
আপনি গভীর ঘুমে অচেতন,
হঠাৎ ঘর্মাক্ত দেহে ঘুম থেতে জেগে এপাশ ওপাশ করছেন বিছানায়,
চোখ খুলে দেখলেন বিদ্যুৎ মশায় গেছে পালায়।
ইচ্ছে হলে হঠাৎ আবার আসে, আসার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে যখন চোখ দুটি মুদে আসে,
দেখবেন বিদ্যুতহীনতার গ্যাড়াকলে পড়ে আবার গেছেন ফেঁসে,
বিদ্যুৎ মশায় আবার পালিয়ে গিয়ে, অন্ধকারে যায় মিশে।
এতো গেল রাতের খবর,
এবার আসি দিনে,
সকালে ঘুম থেকে উঠে যখন নামাজ পড়তে যাবেন
তখন দেখবেন ঘরে লাইট জ্বলছেনা, ওজু করতে যাবেন টাঙ্কীতে পানি শেষ,
দূপুরে গোসল করতে যাবেন? আলো নেই বাথরূমে ,
এইভাবে দাশিত্বহীন বিদ্যুৎ বিভাগ চলে ঘুমে ঘুমে।
এবার আসুন, রোজা রমজানের দিনে,
সারা দিন রোজা রেখে আপনি যখন ইফতারের টেবিলে
বিদ্যুৎ মশাাইর তখন একটুও ভাল লাগেনা,
তাই চলে যায়, কাউকে কিছু নাবলে।
কে জানে সে ফেনসিডিল না ইয়াবা খায়
যখন রাতে সেহরী খাবেন, তখনও দেখবেন তার মাদকাসক্তি বেড়ে যায়,
বিদ্যুৎ মশায় তোমার যা ইচ্ছে কর, তবুও তোমাকে বলি ধন্য ধন্য
তুমি অনন্য তুমি অনন্য।
তুমি কাজের বেলায় টুঁ টুঁ, ,
টাকার বেলায় বত্রিশ আনা দায়িত্ববান,
বিদ্যুৎ ব্যবহার নাকরলেও, লক্ষ টাকার ভূতুরে বিল আমাদের জন্য পাঠান।
না দিলে আরো কড়া,
থানা পুলিশ আর মামলা করে পড়াবে হাত কড়া।
যত লাগামছাড়া, দায়বদ্ধতাহীনভাবে চলুক বিদ্যুৎ বিভাগ, যাবেনা কিছু বলা,
বিদ্যুৎ বিভাগ যেন গ্রাহকের মুনিব, আর গ্রাহকরা তার কামলা।
এইভাবে চলে আমাদের বিঢ়ুৎ বিভাগ, জবাবদিহিহীন তার কারবার,
মানুষের ভূগান্তি যতই বাড়ুক, সময় নেই বড়কর্তাদের এসব দেখবার।
No comments:
Post a Comment